ধুনটে স্বামী স্ত্রী'র দ্বন্দ্বে" চিকিৎসকের সম্মানহানীর অভিযোগ

জনতার দৃষ্টি

আপডেট: 2 weeks ago

ধুনটে স্বামী স্ত্রী'র দ্বন্দ্বে" চিকিৎসকের সম্মানহানীর অভিযোগ
বগুড়া ধুনটে তথ্য প্রমাণ ছাড়াই অনৈতিক অপপ্রচার" চিকিৎসকদের নিন্দা

ধুনটে নার্স স্ত্রী ও স্বামীর দ্বন্দ্বের জেরে চিকিৎসকের সম্মানহানীর অভিযোগ তথ্য প্রমাণ ছাড়াই অনৈতিক অপপ্রচারে চিকিৎসকদের নিন্দা

বগুড়ার ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক নার্স ও তার স্বামীর পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরে এক চিকিৎসককে সম্মানহানী করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে চিকিৎসকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রীয়া দেখা দিয়েছে। চিকিৎসকবৃন্দ মানহানীকর অপপ্রচারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। স্থানীয়সূত্রে জানাযায়, ধুনট উপজেলার এলাঙ্গী পশ্চিমপাড়া গ্রামের হাফিজুর রহমানের মেয়ে তাসমিয়া সুলতানার সঙ্গে ২০১৪ সালে সাজ্জাদ হোসেন শাহিন নামে এক ব্যক্তির বিয়ে হয়। ২০১৬ সালে তাসমিয়া ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নার্স হিসেবে যোগদান করেন। এরপর তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশে প্রায় চার শতক জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন। তাঁদের সাত বছর বয়সী এক ছেলে সন্তান রয়েছে। এমতাবস্থায় পারিবারিক কলহের জের ধরে নার্স তাসমিয়া সুলতানা গত ১৭ ফেব্রুয়ারি স্বামী সাজ্জাদ হোসেন শাহিনকে ডিভোর্স দেন। এদিকে গত ২২ আগস্ট স্বামী সাজ্জাদ হোসেন শাহিন ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে সাবেক স্ত্রী তাসমিয়ার সঙ্গে মোবাইল ফোন নিয়ে কথা-কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন তাঁকে আটক করেন। ওই সময় সাজ্জাদ হোসেন শাহীন দাবি করে বলেন, ডা: সুমনুল হকের সঙ্গে তার স্ত্রীর পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে। আর এই কথাটি উপস্থাপন করা মাত্রই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। তবে পরকীয়ার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোন প্রামাণাতি উত্থাপন করতে পারেননি নার্সের সাবে স্বামী সাজ্জাদ হোসেন শাহীন। কিন্তু পরপরও এসব বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডা: সুমনুল হকের বিরুদ্ধে নার্সের সঙ্গে পরকীয়ার মিথ্যা অভিযোগ তুলে মানহানিকর অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে একটি মহল। এতে মিশ্র প্রতিক্রীয়া দেখা দিয়েছে চিকিৎসক ও নার্সদের মধ্যে। তবে এবিষয়ে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা: সুমনুল হক জানান, মাত্র দেড় বছর আগে এখানে যোগদান করেছেন। কিন্তু একটি মহল নার্স ও তার স্বামীর পারিবারিক দ্বন্দ্বের মধ্যে তাকে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচার এবং কম্পিউন্টারে তার ছবি এডিট করে হয়রানী করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবাও ব্যাহত হচ্ছে। এব্যাপারে নার্স তাসমিয়া সুলতানা বলেন, ‘ডাক্তার সুমনুল স্যারের সঙ্গে আমার কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। একজন নার্স হিসেবে রোগীর চিকিৎসার জন্য মাঝে মধ্যেই ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলতে হয়। আর এই বিষয়টি নিয়ে আমার স্বামী আমাকে সন্দেহ করতেন এবং বিভিন্নভাবে নির্যাতন করতেন। এ কারণে আমি তাঁকে তালাক দিয়েছি। ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: সাজ্জাদ কাদির বলেন, দায়িত্ব অবহেলায় কেউ অভিযুক্ত প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
logo

আমাদের অনুসরণ করুন

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রধান কার্যালয়: হাসপাতাল রোড হাই স্কুল মার্কেট, রুম নং ১৬, ধুনট বাজার, ধুনট, বগুড়া।

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাহ আলম জীবন

কপিরাইট © ২০২১-২০২৫ জনতার দৃষ্টি

যোগাযোগ: jonotardristy@gmail.com | ফোন: 01537525161, 01715854785