রাজশাহী বিভাগে এই শীতে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
জনতার দৃষ্টি
আপডেট: 7 months ago

রাজশাহী বিভাগে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় জনজীবন কষ্টে মুখে পড়েছে। রংপুর বিভাগের মতো রাজশাহী বিভাগের প্রতিটি জেলায় কুয়াশা ও শীতের তীব্রতা বেড়েছে।
রাজশাহী বিভাগে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় জনজীবন কষ্টে মুখে পড়েছে। রংপুর বিভাগের মতো রাজশাহী বিভাগের প্রতিটি জেলায় কুয়াশা ও শীতের তীব্রতা বেড়েছে।
আজ সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত হালকা কুয়াশাসহ ঠান্ডা বাতাসে জেলা গুলোতে যানবাহনকে ধীর গতিতে চ্লানোর কথা বলা হয়েছে। শীতের প্রভাবে শ্রমজীবী, নিম্ন আয়ের মানুষ, শিশু ও বয়স্কদের ভোগান্তি বেড়েছে। বিশেষ করে নদীপাড় ও চরাঞ্চলের মানুষ ও গৃহপালিত পশুপাখি বেশি দুর্ভোগে পড়েছে। তেমনি শীতে স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে অনেকটা।
আবহাওয়া অফিস বলছেন গত শুক্র, শনি, রবিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.৫° সেলসিয়াস এবং আর্দ্রতা ১০০ শতাংশ। তিনি বলেন, আগামী ২ থেকে ৩ দিন তাপমাত্রা একই রকম থাকতে পারে, তবে আগামি জানুয়ারী প্রথম সপ্তাহে শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান আবহাওয়া অফিস।
তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, বিভিন্ন জেলায় ঘন কুয়াশায় সারাদিন সূর্যে দেখা মেলেনি। এতে কৃষকরা শাকসবজি সংরক্ষণ ও উৎপাদন নিয়ে চিন্তিত। অন্যদিকে তীব্র শীতে কাজের জন্য বের হওয়া মানুষ, বিশেষ করে নদীপাড় ও গ্রামাঞ্চলের নিম্ন আয়ের মানুষ কষ্টে পড়েছেন। পাশাপাশি শীতজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও বেড়েছে অনেক।
বগুড়ার বিভিন্ন উপজেলার ইউনিয়নের ভ্যানচালকরা জানানকাজ না করলে সংসার চলবে না—তাই প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও বাধ্য হয়ে কাজ করতে হচ্ছে আমাদের। প্রচণ্ড ঠান্ডায় হাত-পা বরফের মতো হয়ে যায়, তবুও জীবিকার তাগিদে কাজে করে যেতে হচ্ছে।
জেলার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে শীতের তীব্রতায় শিশু রোগীর সংখ্যা বেড়েছে, এই শীতে শিশুদের রোগসংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে ভর্তি শিশুদের মধ্যে সর্দি-জ্বর, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া বেশি দেখা যাচ্ছে।
তবে ডাক্তারা অভিভাবকদের সতর্ক করে বলছেন, এই শীতে শিশুদের গরম পানি পান করানো, পুষ্টিকর খাবার ও তাজা ফলমূল ও শাকসবজি খাওয়ানো জরুরি।

